বিশ্বকাপ-২০১৮ বাছাইপর্ব: আফ্রিকান আপডেট

বিশ্বকাপ-২০১৮ বাছাইপর্ব: আফ্রিকান আপডেট

আফ্রিকার অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপ-২০১৮ এর ৫টি স্থানের জন্য ৫ গ্রুপে বিভক্ত হয়ে লড়ছে মোট ২০টি দেশ। পাঁচ গ্রুপ থেকে ৫টি চ্যাম্পিয়ন দেশ সরাসরি অংশগ্রহণ করবে রাশিয়াতে। প্রতিবারের ন্যায় এবারও আফ্রিকার বাছাইপর্বের বৈচিত্র্যতার অভাব নেই। আর মাত্র ২০টি ম্যাচ শেষে দেখা যেতে পারে বিশ্বকাপের নতুন মুখ।

গ্রুপ-এ তে আছে তিউনিসিয়া, ডেমোক্রেটিক কঙ্গো, গিনি ও লিবিয়া। নিজেদের ৪র্থ ম্যাচে কঙ্গো ও তিউনিসিয়া ২-২ ড্র শেষে তিউনিসিয়া ১০ পয়েন্ট ও কঙ্গো ৭ পয়েন্ট নিয়ে ১ম ও ২য় স্থানে আছে। শেষ ২টি ম্যাচে দুই দলের প্রতিপক্ষ গিনি ও লিবিয়া। অবস্থাদৃষ্টে ৩ পয়েন্টে এগিয়ে থাকা ও ৪ ম্যাচের ১টিতেও না হারা তিউনিসিয়ার ৫ম বিশ্বকাপ গন্তব্য নিশ্চিত প্রায়। শুধু পা হড়কালেই না হয়। নিজেদের ২য় বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের জন্য কঙ্গোকে জয়ের পাশাপাশি তিউনিসিয়ার পরাজয় প্রার্থনা করা লাগবে।

গ্রুপ-এ’র মতো একই অবস্থা গ্রুপ বি’তে ১০ পয়েন্ট ও ৭ গোলব্যবধান নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে সুপার ঈগলস নাইজেরিয়া ও প্রথমবারের বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখা জাম্বিয়া ২য় স্থানে, পয়েন্ট ৭, গোলব্যবধান +২। এখানেও নাইজেরিয়ার ৬ষ্ঠ বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের সম্ভাবনাই বেশি। তবে উল্টাও হতে পারে যদি পরের ম্যাচে জাম্বিয়া হারিয়ে দিতে পারে নাইজেরিয়াকে। কিন্তু গ্রুপ অব ডেথ-এ ক্যামেরুন ও আলজেরিয়ার পারফরমেন্স হতাশাজনক বলা চলে। যথাক্রমে ৩ ও ১ পয়েন্ট নিয়ে দু’দলই ইতোমধ্যেই বিদায় নিয়েছে। অথচ একটি জমজমাট লড়াইয়ের প্রত্যাশা ছিল।

জমে উঠেছে গ্রুপ-সি’র লড়াই। আইভরি কোস্ট, মরোক্কো, গ্যাবন ও মালি- প্রত্যেক দেশের সুযোগ আছে বিশ্বকাপ খেলার। পয়েন্ট যথাক্রমে ৭, ৬, ৫ এবং ২। অবশ্য গ্যাবনের গোল ব্যবধান -২ এবং মালির -৮ –ই বড় বাধা। গ্রুপের শেষ ম্যাচগুলো হলো- মালি/আইভরি কোস্ট, মরোক্কো/গ্যাবন, আইভরি/মরোক্কো ও গ্যাবন/মালি। শ্বাসরুদ্ধকর সমাপ্তি হতে যাচ্ছে। গ্যাবনের সামনে হাতছানি দিচ্ছে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ।

গ্রুপ-ডি থেকেই হয়তো আসতে পারে বিশ্বকাপের নতুন মুখ। সম্প্রতি উন্নতির পথে থাকা বুরকিনা ফাসো ও কেপ ভার্দে ২ দলেরই সামনে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলার হাতছানি। ২ দলেরই পয়েন্ট ৬ করে। কিন্তু ২০০২ বিশ্বকাপের সাড়াজাগানো সেনেগাল ৫ পয়েন্ট নিয়ে আছে ৩য় স্থানে।

গ্রুপ-ই তে মিশর, উগান্ডা ও ঘানা যথাক্রমে ৯, ৭ ও ৫ পয়েন্ট নিয়ে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থানে রয়েছে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপ খেলেনি ফারাওরা, অন্যদিকে উগান্ডার সামনে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের স্বপ্ন, কিন্তু শক্তিশালি ব্ল্যাক স্টাররাও ছেড়ে দেবার পাত্র নয়। গ্রুপের শেষ ৪টি ম্যাচ- উগান্ডা/ঘানা, মিশর/কঙ্গো, কঙ্গো/উগান্ডা, ঘানা/মিশর।

সর্বোচ্চ গোলদাতা:

৪ গোল করে এখন পর্যন্ত শীর্ষে রয়েছেন থমাস পার্টে (ঘানা)

৩ গোল করে মোহাম্মদ সালাহ (মিশর) ও ভিক্টর মোজেস (নাইজেরিয়া) যৌথভাবে রয়েছেন দ্বিতীয় অবস্থানে। 

নতুন আর্টিক্যাল পাবলিশড হওয়া মাত্রই পড়তে চান?

আজই সাবস্ক্রিপশন করে নিন