ট্যাক্টিকাল প্রিভিউঃ উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনাল ২০১৮

ট্যাক্টিকাল প্রিভিউঃ উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনাল ২০১৮

ইউরোপের শ্রেষ্ঠ দুটি দল, মাঠে নামবে নিজেদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব বিচার করার জন্য।

মুখোমুখি হবেন দুই ট্যাক্টিকাল জিনিয়াসঃ ক্লপ এবং জিদান ।

একজন দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর দলকে সাফল্যের পর সাফল্য দিয়ে যাচ্ছেন। আরেকজন খাদের কিনারা থেকে দলকে তুলে এনে শ্রেষ্ঠত্বের দিকে ধাবিত করেছেন।

কিয়েভে শেষ লড়াইয়ের আগে দেখে নেই বিভিন্ন পজিশনে কাদের শক্তিমত্ত্বা কিরকম এবং দুই কোচ থেকে কিরকম ট্যাক্টিক্স প্রত্যাশা করতে পারি।

শুরু করি লিভারপুল উচলে যাত্রা দিয়ে। এই সিজনে হোমে লিভারপুলের পারফর্মেন্স তেমন ভালো ছিলোনা। ইপিএলে তারা ৪র্থ অবস্থানে আছে। কারাবাও কাপে লেস্টারের কাছে আর এফএ কাপে ওয়েস্ট ব্রমের কাছে হেরে বিদায় নেয়। কিন্তু উচলে তাদের ডমিনেশন অবাক করার মতো। তারা ক্যাম্পেইন শুরু করে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে, যেখানে তাদের গ্রুপে ছিলো মস্কো, সেভিয়া আর ম্যারিবর। এরপর তারা পর্তুগীজ চাম্পিয়ন পোর্তোকে বিদায় করে এওয়েতে ০-৫ আর হোমে  ০-০ তে ড্র করে। তাদের সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ ছিলো ম্যানসিটি। তাদেরকে ঘরের মাঠে ৩-০ আর এওয়েতে ২-১ গোলে হারিয়ে সফলতার সাথে তাদের বিদায় করে। সেমিতে রোমার সাথে হোমে ৫-২ গোলে এগিয়ে থেকেও এওয়ে তে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ৪-২ গোলে হেরে ৭-৬ এর এগ্রিগেট নিয়ে তারা এখন ফাইনালে।

ফাইনালের সম্ভাব্য লাইনাপঃ কারিয়াস-ট্রেন্ট আরনল্ড- ভ্যান ডাইক- লভ্রেন- রবার্টসন – হেন্ডারসন –ওয়াইনাল্ডাম-মিলনার-সালাহ-মানে-ফিরমিনো । 

গোল্কিপার ক্যারিয়াস সুইপিংএ ভালো হলেও কিছু সিম্পল ভুল করে ফেলে। আর একটা ভুলই রিয়ালের জন্য যথেষ্ট। উদাহরণ রিয়াল-বায়ার্ন সেকেন্ড লেগে উলরাইখের ভুল। কিন্তু লিভারপুলের ডিফেন্স সমস্যার জন্য কারিয়াস একা দায়ী না।

ট্রেন্ট আরনল্ড আর রবার্টসন এই সিজনের লিভারপুলের অসাধারণ আবিষ্কার । দুই ফুলব্যাকেরই আছে প্রচন্ড গতি আর গেম রিডিং এবিলিটি এবং এটা লিভারপুলের ধারালো এটাককে আরো শানিত করেছে। ডিফেন্সে তারা ক্লিনিকাল এবং রিয়ালের সাথে পার্থক্য হলো তারা ওভারল্যাপ করলে হেন্ডারসন বা মিলনার এসে সেই জায়গা ফিলাপ করে। তবুও আমাদের মাথায় রাখতে হবে তাদের বয়স এখনো অল্প এবং তাদের থামাতে হবে রোনালদো, বেল কিংবা লুকাস ভাস্কেজ আর মার্সেলো-কারভাহালদের!

এই সিজনে ভ্যান ডাইক লিভারপুলের জন্য একটা আশীর্বাদ হয়ে এসেছে, যদিও আশীর্বাদকে কিছুটা চওড়া দামেই কিনতে হয়েছে। ভ্যান ডাইকের সাথে লভ্রেনের পার্টনারশিপ লিভারপুলের ডিফেন্স সমস্যা অনেকাংশে সমাধান করেছে। 

কিন্তু একটা সমস্যা রয়েই গেছে যেটা রোমা সেমির সেকেন্ড লেগে খুব ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছে। যখন লিভারপুল প্রেসিং করে তখন তারা পেছনে বেশ বড়সড় একটা স্পেস রেখে আসে, সেই স্পেস কাজে  লাগিয়ে যখন কাউন্টার লঞ্চ করা হয় তখনই বিপত্তি টা ঘটে যায়। মিডফিল্ড আর ডিফেন্স  লাইনে একটা বড়সড় ফাক রয়ে যায়, যেটা এত দ্রুত মিডফিল্ডাররা কভার করতে পারেনা। ডিফেন্স লাইনে থাকে ভ্যান ডাইক লভ্রেন আর হেন্ডারসন,তারাও যখন প্রেস করতে যায় তখন খুব সহজেই ডিবক্সে থ্রু পাস কিংবা উইং বরাবর ক্রস করে গোল হয়ে যায়।  

মিডফিল্ডে আছে হেন্ডারসন মিলনার আর ওয়াইনাল্ডাম। ওয়াইনাল্ডাম কিছুটা নতুন এই সমাবেশে, কারণ অক্সলেড চেম্বারলেনের ইঞ্জুরি। তবে তাদের মধ্যে আন্ডারস্ট্যান্ডিং ভালো। হেন্ডারসনকে হোল্ডিংএ রেখে মিলনার আর ওয়াইনাল্ডাম এর কাজ হবে ফারমিনোর সাথে লিংকআপ করা। তবে অক্সলেড চেম্বারলেনের অভাব লাল্লানাকে দিয়ে পূরন করা যাবে যদি সে খেলতে পারে। মাত্র ইঞ্জুরী থেকে ফিরে সে দলের সাথে ট্রেনিং করছে। ট্রেনিং দেখে ক্লপ সিদ্ধান্ত নিবেন। যদি খেলেন , তার প্লেমেকিং এবিলিটি দলের এটাকিং ফায়ারপাওয়ারকে বুস্ট করবে।

সালাহ মানে ফারমিনোর ব্যাপারে কিছুই বলার নেই। উচলের এক সিজনে সর্বোচ্চ দলীয় গোলের রেকর্ড তাদের দখলে, আর এর জন্যে এই তিনজনের অবদান সবচেয়ে বেশি। তাদের ফ্লুইডিটি অসাধারণ। শুধু সালাহকে মার্ক করলেই চলবে না লিঙ্কআপের মেইন সেনা তো ফারমিনো, আর শুধু ববিকে মার্ক করলেও চলবে না, কারণ সালাহ আর ববি ফারমিনো এ সিজনে বেশ কয়েকবার খেলার মধ্যে পজিশন এবং রোল চেঞ্জ করেছে, যা তাদের এটাক আরো আনবিটেবল করেছে। আপনি ফারমিনোকে মার্ক করে রাখলে দেখা যাবে সালাহ ড্রপ ব্যাক করে ফারমিনো মানের জন্য স্পেস ছেড়ে দিচ্ছে, অর্থাৎ ফারমিনোর কাজ সালাহও করতে জানে।

এবার রিয়াল মাদ্রিদের একাদশ নিয়ে একটু কাটাছেড়া করা যাক। চ্যাম্পিয়নস লীগের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের সূচনা মোটেও ভালো হয়নি। লীগেও শুরুতে দলের এবং পয়েন্ট টেবিলের অবস্থা নড়বড়ে ছিল। কোপা দেলরে থেকেও তারা লেগানেসের কাছ থেকে হেরে বিদায় নেয়। উচলের ম্যাচ গুলোতেও তাদের অবস্থান লিভারপুলের মতো ডোমিনেটিং ছিলো না। তাদের গ্রুপে ছিলো টটেনহাম, ডর্টমুন্ড আর এপোয়েল। সেই গ্রুপ থেকে ২য় হয়ে পিএসজি এর সাথে খেলা পড়ে তাদের।  পিএসজিকে হোমে ৩-১ আর এওয়েতে ২-১ এ হারিয়ে কোয়ার্টারে মুখোমুখি হয় জুভেন্টাসের। ক্রিসমাসের পরেই রিয়াল ঘুরে দাড়াতে থাকে। এভেইলেবল রিসোর্সকে জিদান কাজে লাগিয়ে দল গুছাতে থাকে। জুভেন্টাসকে এওয়ে ৩-০ গোলে হারিয়ে রিয়াল হোমেও ৩ গোল খেয়ে বসে। সেখানেই রিয়ালের ডিফেন্সিভ দূর্বলতা নজরে আসে। স্টপেজ টাইমের কিছুক্ষণ আগে পেনাল্টি কন্সিড করে জুভেন্টাস হেরে বসে, নাহলে খেলা এক্সট্রা টাইমে যেত। বায়ার্নে আরো কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয় রিয়ালকে । হোম এবং এওয়ে দুই লেগেই বায়ার্ন ডমিনেট করে খেলে একের পর এক ভুল করে হারতে হয় বায়ার্নকে। রিয়ালের নড়বড়ে ডিফেন্সে তাদের একের পর এক আক্রমণের পরেও ফিনিশিং না করতে পারায় হারতে হয় তাদের। উচলের প্রত্যেক ম্যাচে গোল করা রোনালদো কড়া মার্কিং এ থাকার পড়েও বেঞ্জেমার গোলে তারা জিতে যায়।

লিভারপুলের থেকে কঠিন প্রতিপক্ষকে একটা নড়বড়ে টিম নিয়ে হারিয়ে আসা রিয়াল জিতেছে এক্সপেরিয়েন্স, আর মেন্টালিটির জোড়ে । জিদান মাদ্রিদকে শিখিয়ে দিয়েছেন শেষ বাঁশি না বাজা পর্যন্ত ফাইট করে যেতে, যদিও তাদের কনভিন্সিং পার্ফর্মেন্স ছিলো না কিন্তু তারা একটা উপায় ঠিক বের করেছেই।

 ফাইনালেও সেই একই জিনিস দেখা যেতে পারে। ক্লপের গেগেনপ্রেসিং এর জোড়ে বল পজেশন বেশী হতে পারে , কিন্তু রিয়াল আসলে পজেশনের ধার ধারে না। তার দরকার ক্রিটিকাল কিছু কাউন্টার এটাক যার কারণে  পুরো ম্যাচ হাতে রেখেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হাতছাড়া  করতে হয়েছে অনেক প্রতিপক্ষকে।

রিয়ালকে দেখা যেতে পারে ৪-৪-২ ডায়ামন্ড ফর্মেশনে। লাইনাপ হতে পারে নাভাস-কারভাহাল-রামোস-ভারাে-মারসেলো-ক্যাসেমিরো-মদ্রিচ-ক্রুজ-ইস্কো-রোনালদো-বেনজেমা। 

নাভাসকে নিয়ে কিছু বলার নেই, সে এখন স্পাইডারম্যান ফর্মে আছে। বায়ার্নের বিপক্ষে ভাংচুর ডিফেন্সের মুখে দলকে টেনে একাই ফাইনালে তুলেছেন। গোলকিপার ব্যাটলে সেই এগিয়ে থাকবেন।

ডিফেন্সে কারভাহালের অন্তর্ভুক্তি জিদানকে স্বস্তি দিবে, কারভাহাল এর  অনুপস্থিতিতে রিয়ালকে যথেষ্ট ভুগতে হয়েছে বায়ার্নের বিপক্ষে, তার ভিশন আর পেস রাইট উইং এটাক প্রতিরোধের জন্য একটা ঢাল স্বরুপ। কিন্তু মার্সেলোকে রিয়ালের লেফটব্যাকে দেওয়ার অসুবিধা হচ্ছে প্রায় সময় সে লেফটব্যাকে একটা পজিশন খালি রেখে কাউন্টার এটাকে পিচের উপরে উঠে যায়। এই পজিশনটা যদি ক্যাশে বা ক্রুজ সময়মতো ফিলাপ করতে না পারে তখনই বিপত্তি ঘটে, সিজনের  প্রথম এল-ক্লাসিকো রিয়াল এভাবেই হারে।

সেন্টার ব্যাকে রামোস আর ভারানে। ভারানের পেস আর ফিজিকালিটি আর গেম রিডিং এবিলিটি একটা এডভান্টেজ। বাট তার উইকনেস হলো হুট করে নিজের প্লেয়ারদের মুভমেন্ট সে ধরতে পারে না। এই কারনে রামোস যখন এটাকে জয়েন করে তখন হুট করে কাউন্টার হলে  সে তখন রিড করতে পারে না। এভাবে হঠাত করে ডিফেন্স ঝিমিয়ে পড়লে কাউন্টার এটাক নাভাসকে একাই ঠেকাতে হয়।

রামোসের আছে অসাধারণ গেম রিডিং এবিলিটি এবং ইন্টারসেপশন এবিলিটি। রামোসের দূর্বলতা হলো ইমোশন। শুরুর দিকেই যদি ঝামেলা পাকিয়ে লাল কার্ড খেয়ে বিদায় নেয় তাহলে রিয়ালকে পাহাড়সমান বিপদে পড়তে হবে। কারণ রিয়ালের এটাকে সালাহ-মানে-ফারমিনো। যেকোনো  দিকে স্পেস খুঁজে সেটা কাজে লাগাতে এরা ওস্তাদ।

মিডফিল্ডে ক্যাসেকে খেলানোর সুবিধা অসুবিধা দুটোই আছে। সুবিধা হলো ক্যাসেকে ফারমিনোর মার্কিং এ রেখে তার অতিরিক্ত তিড়িং-বিড়িং কমানো গেলে একটা মাথা ব্যাথা দূর হবে, সালাহকে ড্রপ করতে হবে লিংকআপ করার জন্য। অসুবিধা হলো ক্যাসে চ্যালেঞ্জ করার পরেই গেগেনপ্রেসিং এর সম্মুখীন হলে বল হারাতে হতে পারে। তাই এই জায়গায় আমি কোভাচিচকে প্রিফার করবো। কোভাকে খেলালে মার্কিং এর পাশাপাশি অ্যাডেড এডভান্টেজ হলো ক্রুজের সাথে তার পার্টনারশিপ। ক্রুজের মতো সেও একটা ডিপ লাইং প্লেমেকার। তাই ক্লপের প্রেসিং এর এগেইন্সট এ মারসেলো, ক্রুজ, মদ্রিচ, ইস্কোর পাশাপাশি সেও একটা অস্ত্র হতে পারে।

কিংবা জিদান যদি ৪-৪-২ ফ্ল্যাট ফর্মেশনে খেলে সেক্ষেত্রে মিডে ক্রুজ, মদ্রিচের পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য ইস্কো বা এসেন্সিও আর ভাস্কেজ কে ওয়াইড মিডে দেখা যাবে, তাদের খেলার সুবিধা হচ্ছে রবার্তসন আর ট্রেন্ট এর উইংপ্লে দমানো যাবে, আর ক্রুজকেই তখন মার্কিং আর ডীফেন্স ডিউটি সামলাতে হবে, তবে এক্ষত্রে ফুলব্যাকরা ওভারল্যাপ করলে ভাস্কেজ ফলব্যাক করে ডিফেন্সে হাত দিতে পারবে।

৪-৩-৩ হলে বিবিসি বা বেল , রোনালদো , ইস্কো , আর ৪-৪-২ হলে বেল-রোনালদো অথবা রোনালদো-বেঞ্জেমা নামতে পারেন। তবে এই  ফর্মেশনের সম্ভাবনা কম হলেও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বেল ফর্মে ফিরছে, এই ফর্মেশনে স্টার্ট না করলেও সাবস্টিটিউট হিসেবে বেলকে দেখা যেতে পারে। 

যেহেতু জিদান বেঞ্জেমাকে প্রিফার করেন, এবং যেহেতু রন , বেঞ্জেমার পার্টনারশিপ অসাধারণ, আর যেহেতু বেঞ্জেমা বায়ার্নের বিপক্ষে গোল করেছে, তাই ৪-৪-২ তে তাকে দেখা যেতে পারে শুরু থেকেই। তবে বেঞ্জেমা খেললে তার মিসের মহড়া মাথায় রেখেই জিদানকেই এটাক সাজাতে হবে। রোনালদো যে শুধু থেকেই মার্কিং এ থাকবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এক্ষেত্রে বেনজেমা কী হবে রোনালদোকে ফ্রি করার জন‍্যে। আর এটাক যেকোনো পজিশন থেকেই আসতে পারে। এই সিজনে রিয়ালের পুরো দল একটা ইউনিট হয়ে খেলেছে, যার কারণে টাফ অপোনেন্টের কড়া আক্রমনের মুখেও জিদান ম্যাচ বের করে আনতে সক্ষম হয়েছে।

প্রেস কনফারেন্সে  জিদানের মুখ থেকে স্টার্টিং লাইনাপ সম্বন্ধে কোন তথ্য বের করা যায়নি, কারণ সে প্রতিপক্ষ দেখে ইলেভেন সাজান। তবে ৪-৪-২ হতে পারে জিদানের ফর্মেশন, যেখানে ইস্কো, ভাস্কেজ আর বেঞ্জেমা স্টার্ট করবে। আর অবশ্যি ডিফেন্সের সমস্যা গুলো সামাল দিতে হবে , কেননা হেইঙ্কস আর ক্লপ মোটামুটি একই ধাচের কোচ আর হেইঙ্কস যেমন দূর্বলতা কাজে লাগিয়েছে, ক্লপ সেই একই কাজ আরো বিপদজনক ভাবে করবে কারণ তার হাতে আছে বর্তমানে ইউরোপের বেস্ট এটাক, ভুলের কোন সুযোগ নেই।

আপাতদৃষ্টিতে তুমূল এটাকিং একটা ম্যাচ হবে। লিভারপুল এই পর্যন্ত ৭ বার উচল ফাইনালে এসেছে আর হেরেছে কেবল ২ বার। রিয়াল মাদ্রিদ  ১৩ বার ফাইনালে উঠেছে আর হেরেছে ৩ বার। শেষবার এদের দেখা হয়েছিলো ফাইনালে ১৯৮১ সালে যেখানে লিভারপুল  ১-০ গোলে জিতে যায়। এরপর রিয়াল মাদ্রিদ আর কখনো ফাইনাল হারেনি। লড়াই শুধু এই দুদলের মধ্যেই নয়, লড়াই চলবে সালাহ আর রোনালদোর মধ্যেও, যেই উচল জিতবে তার ব্যালন ডিঅরের রেসে এগিয়ে যাবে।

তাহলে দেখা যাক, এক্সপেরিয়েন্সের জয় হবে নাকি কনফিডেন্সের...

 

নতুন আর্টিক্যাল পাবলিশড হওয়া মাত্রই পড়তে চান?

আজই সাবস্ক্রিপশন করে নিন