বাবাকে দেওয়া পেলের ওয়াদা রক্ষার গল্পঃ ব্রাজিলের প্রথম বিশ্বজয়ের স্বাদ

বাবাকে দেওয়া পেলের ওয়াদা রক্ষার গল্পঃ ব্রাজিলের প্রথম বিশ্বজয়ের স্বাদ

ফুটবল বিশ্বকাপের ৬ষ্ঠ আসর। আর এই বিশ্বকাপেই বিশ্ব দেখেছিলো এক প্রতিভাবান প্লেয়ারকে যিনি হয়েছিলেন সর্বকালের সেরা প্লেয়ার। যাকে বলা হয় The King Of Football.

১৯৫৮ বিশ্বকাপ। ১৬টি দল, ১২ টি ভেন্যু নিয়ে ৪র্থবারের মত ইউরোপে বিশ্বকাপের ৬ষ্ঠ আসর বসে। যেই বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিলো আর্জেন্টিনা বনাম পশ্চিম জার্মানীর মধ্যকার খেলা দিয়ে আর শেষ হয় ব্রাসিল বনাম স্বাগতিক সুইডেনের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে। ৩৫ টি ম্যাচের মধ্যে গোল হয়েছে ১২৬ টি এবং একটিও আত্মঘাতী গোল হয় নি। সব মিলিয়ে দর্শক হয়েছিলো ৮ লক্ষ ১৯ হাজার ৮১০ জন। প্রতি ম্যাচে গড়ে ২৩ হাজার ৪৪৩ জন দর্শক হয়েছিলো।

ব্রাজিল। ১৯৫৪ সালের বিশ্বকাপের কোয়াটার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ার পর বিশ্বকাপের ব্যর্থতা ভুলে গিয়ে নতুন ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ব্রাসিল। আর নিজেদের প্রমান করার জন্য হয়তো এই আসরটিই বেছে নিয়েছিলো সেলেসাওরা। এই আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়ে পুরো বিশ্বকে জানান দিয়েছিলো সর্বকালের সেরা দল ব্রাসিল যাদেরই পা থেকে শুরু হয়েছিলো জোগো বনিতার পুর্ন রুপ, যাদের প্রত্যেক প্লেয়াররা খেলতো ছন্দময় নান্দনিক খেলা, যারা মাঠে সুন্দর ছবি আঁকতো বল নামক রং, পা নামক তুলি দিয়ে সবুজ মাঠকে আর্ট পেপার বানিয়ে। যাদের খেলা দেখেই ফুটবল বোদ্ধারা বলতে বাধ্য হয়েছিলো - ইংল্যান্ডের আবিষ্কার, ব্রাসিলের সৌন্দর্য দান। আর এসব প্রমান করার জন্য ১৯৫৮ বিশ্বকাপই ছিলো ব্রাসিলের জন্য তুরুপের তাস।

তৎকালীন কোচ ভিসেন্তা ফিওলা ব্রাসিলকে সাজিয়েছিলেন গিলমার, বেলেনি, দেলমা সান্তোস, নিল্টন সান্তোস, জিতো দিদি, জাগালো, পেলে, ভাভা, গারিঞ্চা নামক একঝাক প্রতিভা আর তুরুপের তাসদের নিয়ে। যারা সবাই লিজেন্ড বনে গিয়েছেন।

১৯৫৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ব্রাসিলের স্থান হয় গ্রুপ অফ ডেথ গ্রুপ ডি তে। যেখানে ছিলো অস্ট্রিয়া, ইংল্যান্ড আর সোভিয়েত ইউনিয়নের মত শক্তিশালী দল।

৮ই জুন ১৯৫৮। সেই আসরের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামে ব্রাসিল মোটামুটি শক্তিশালী দল অস্ট্রিয়ার সাথে। খেলার ৩৭ মিনিটেই মাজ্জোলার গোলে এগিয়ে যায় ব্রাসিল। সেই বিশ্বকাপের ব্রাসিলের হয়ে প্রথম গোলদাতা মাজ্জোলা। এরপর ৫০ মিনিটে নিলটন সান্তোসের গোল আর ৮৫ মিনিটে আবারো মাজ্জোলার গোলে ৩-০ গোলে অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে দেয় ব্রাসিল। জয় দিয়ে বিশ্বকাপের মিশন শুরু করলেও সেই ম্যাচে নামে নি পেলে, গারিঞ্চার মত দুই প্রতিভাবান প্লেয়ার। যার ফলে ব্রাসিলকে ভুগতে হয়েছে পরের ম্যাচে ইংল্যান্ডের সাথে।

১১ জুন ১৯৫৮। শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের আসরের ২য় ম্যাচ খেলতে নামে ব্রাসিল। ইউরোপের এই পরাশক্তির বিরুদ্ধে নামে নি পেলে, গারিঞ্চা। যার ফলে ইংল্যান্ডের যান্ত্রিক ফুটবল আর ব্রাসিলের ছন্দময় ফুটবল মিলে খেলাটি গোল শুন্য ড্র হয়।

১৫ জুন ১৯৫৮। ব্রাসিল খেলতে নামে সেই সময়ের সেরা দল সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে, যাদেরকে বলা হতো "বৈজ্ঞানিক দল" যারা ১৮০ মিনিট ফুটবল খেললেও পুর্ন শক্তিতে আরো লড়তে পারবে। তাইতো সেই ম্যাচে কোচ ফিওলা, পেলে আর গারিঞ্চাকে বসিয়ে রাখতে পারেন নি। একই সাথে অভিষেক হয় পেলে আর গারিঞ্চার। সেই সাথে পেলের নাম ইতিহাসের পাতায় বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া সর্বকনিষ্ঠ প্লেয়ারের নামে লিপিবদ্ধ হলো। আর পেলে-গারিঞ্চা সেই জুটি, যেই জুটি একত্রে যতগুলো ম্যাচ খেলেছে (৪৯) তার একটিও হারে নি ব্রাসিল। সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে করা ব্রাসিলের প্রথম গোলটিকে ফুটবল ইতিহাসের সেরা তিন মিনিট বলা হয় (তিন মিনিট সম্বন্ধে আমি গারিঞ্চার আর্টিকেলে বলেছি)। ভাভার গোলে প্রথম তিন মিনিটে ব্রাসিল এগিয়ে যায়, এর পরের গোলটিও ভাভার পা থেকে আসে ৭৭ মিনিটে। ২-০ গোলের জয় আর পেলে-ভাভা-গারিঞ্চার মন্ত্রমুগ্ধকর খেলায় মুখোরিত হয়েছিলো পুরো স্টেডিয়াম।

দুই জয়, এক ড্র নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়াটারে পা রাখে ব্রাসিল..!

১৯ জুন ১৯৫৮। কোয়াটারে আরেক শক্তিশালী দল ওয়েলসের মুখোমুখি হয় ব্রাসিল। এই সেই ম্যাচ, যেই ম্যাচে গারিঞ্চার জাদুর জন্য ওয়েলসের ডিফেন্ডার মেল হপকিন্সের থেকে গারিঞ্চা উপাধী পেয়েছিলো "বাঁকা পায়ের জাদুকর" নামে। এই ম্যাচে ফুটবল বিশ্ব দেখে এক ইতিহাস। ফুটবল ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ প্লেয়ারের গোল। ৬৬ মিনিটে পেলের গোলে এগিয়ে যায় ব্রাসিল। পেলে সর্বকনিষ্ঠ গোল করা প্লেয়ার হিসেবে নিজের নাম লিখে ইতিহাসের পাতায়। ব্রাসিল ১-০ এ ম্যাচটি জিতে সেমিতে পা রাখে।

২৪ জুন ১৯৫৮। ব্রাসিল মুখোমুখি হয় উড়তে থাকা জাস্ট ফন্টেইনের ফ্রান্সের সাথে। ফুটবল ইতিহাসের আরেক রেকর্ড গড়া এই ম্যাচ। খেলার ২ মিনিটেই ভাভার গোলে এগিয়ে যায় ব্রাসিল। এরপর সেই সময়ের আরেক সেরা প্লেয়ার ফন্টেইনের গোলে সমতায় আসে ফ্রান্স। এরপর ৩৯ মিনিটে দিদির গোলে ২-১ এ এগিয়ে যায় ব্রাসিল। এরপরই বিশ্ব দেখে ফুটবল মাঠে এক ম্যাজিশিয়ানের ম্যাজিক, যার নাম পেলে-ম্যাজিক।  ৫২ মিনিট, ৬৪ মিনিট আর ৭৫ মিনিটে পর পর তিনটি গোল অর্থ্যাৎ গোলের হ্যাট্রিক করে ইতিহাসের পাতায় সর্বকনিষ্ঠ প্লেয়ারের হ্যাট্রিক, বিশ্বকাপের ২য় হ্যাট্রিকদাতা এবং নিজের আন্তর্জাতিক  ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাট্রিক হিসেবে নাম লেখান পেলে। গোল দুটির এসিস্ট দাতা ছিলেন গারিঞ্চা। এরপর ৮৩ মিনিটে পিয়ান্তোনির করা গোলে ব্যবধান কমায় ফ্রান্স। খেলা শেষ হয় ৫-২ গোলের এক ব্যবধানে। ব্রাসিল চলে যায় যায় স্বপ্নের ফাইনালে। এই নিয়ে দুইবার ফাইনালে ব্রাসিল।

২৯ জুন ১৯৫৮। ৬ষ্ঠ বিশ্বকাপের ফাইনাল। যেখানে ব্রাসিলের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক আর শক্তিশালী সুইডেন। ব্রাসিলের থেকে সুইডেনকেই ফেবারিট আর শক্তিশালী ধরেছিলো সবাই। সুইডেন গ্রুপ পর্ব থেকে একে একে মেক্সিকো, হাঙ্গেরীর সাথে জিতে, ওয়েলসের সাথে ড্র করে, কোয়াটারে সোভিয়েত কে হারিয়ে, সেমিতে জার্মানকে হারিয়ে ফাইনালে উপস্থিত হয়। ত সুইডেনের প্রতিপক্ষ গুলো ব্রাসিলের থেকে কঠিন থাকার ফলে তাদেরকেই ফাইনালে ফেবারিট ধরেছিলো সবাই। আর ইউরোপের মাটিতে ইউরোপই ছিলো অল টাইম ফেবারিট।

ফাইনাল

রেফারীর বাঁশি। খেলার বয়স তিন মিনিট। ব্রাসিলের দুই দুইজন ডিফেন্ডারদের ড্রিবল করে বল নিয়ে ব্রাসিল রক্ষনে ঢুকে সুইডেন স্ট্রাইকার লাইহোম। গোলবারে তাঁর শট। গিলমার ডান দিকে ঝাঁপ দিয়েও বলটাকে সেইভ করতে পারলেন না। সুইডেন ১-০ এ এগিয়ে গেলো। পুরো স্টেডিয়াম চুপ আর চিৎকারে ভরপুর। ব্রাসিলের কপালে তাহলে কি আবারো সেই ১৯৫০ এর পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে? আবারো কি শিরোপার এত কাছে এসে শিরোপাটি অধরাই থাকবেই? কিন্তু বিধাতা হয়তো অন্য কিছু লিখেছিলো সেইদিন ব্রাসিলের জন্য।

১-০ গোলে পিছিয়ে পরেও হাল ছাড়ে নি ব্রাসিল। নিজেদের স্বভাবজাত খেলাটাই খেলতে থাকে। খেলার বয়স ৮ মিনিট। দিদির থেকে বল পেয়ে রাইট উইং থেকে গারিঞ্চার অসাধারন থ্রু ক্রস। সাথে সাথে ভাভার অসাধারন ফিনিশিং। খেলার বয়স ৯ মিনিট। ব্রাসিল ১-১ এ সমতায় আসলো। পুরো স্টেডিয়াম উত্তেজনা মুখোরিত।

খেলার ২০ মিনিট। ডি-বক্সের অনেক দুর হতে গারিঞ্চার ডান পায়ের  জোড়ালো শট। কিন্তু বল ক্রস বারে লেগে ফিরে আসে। মিস।

খেলার বয়স ৩২ মিনিটের কাছাকাছি। আবারো গারিঞ্চা-ভাভা জাদু। মিডফিল্ড থেকে প্রায় একা টেনে আনা বলটিকে একদম ঠিক ঠিক প্রথম গোলটির মত রাইট উইং থেকে থ্রু পাস দেয় এবং ঠিক একই ভাবে বলটিকে তার আপন ঠিকানায় (জাল) পাঠান ভাভা। ব্রাসিল ২-১ এ এগিয়ে। শিরোপা জিতার একটু সামনে এগিয়ে গেলো ব্রাসিল। শুরু হলো সাম্বা উদযাপন। বিভিন্ন ভঙ্গিমায় নেচে নেচে গোলটি উদযাপন করলো ভাভা-পেলে-গারিঞ্চারা।

এবার শুরু পেলে ম্যাজিক। মিডফিল্ড থেকে ভাসানো বলটিকে বুকে জড়িয়ে নেন পেলে, কিন্তু বলটি নিচে পরে সুইডিস ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে আবার হালকা উপরে উঠে, এরপর নিচে নেমে মাটি স্পর্শ করার আগেই মানে ভলি শটে বলটিকে জালে জড়ান পেলে। করে ফেললেন আরেক ইতিহাস। সর্বকনিষ্ঠ প্লেয়ার হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনালে গোলদাতা প্লেয়ারের নাম একমাত্র পেলে। ব্রাসিল গেলো ৩-১ এ এগিয়ে।

৬৭ মিনিটের খেলা চলছে। ব্রাসিল পেলো কর্নার। জাগালোর কর্নার করা বলটি ভাসতে ভাসতে সুইডিশ ডিফেন্ডারের মাথায় লেগে ডি-বক্সের বাইরে গেলে দিদির জোড়ালো শট সুইডিস ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বল চলে যায় সদ্য কর্নার করা জাগালোর পায়ে। ল্যাফট উইং ঘেষে একজন প্লেয়ারকে ড্রিবল করে গোলকির পায়ের ফাঁল দিয়ে বল পাঠান জালে..! ব্রাসিল ৪-১ এ এগিয়ে। শিরোপা জয় নিশ্চিত।

এরপর ৮০ মিনিটে ব্রাসিলিয়ান ডিফেন্ডারদের ভুলে সিমন্সসনের গোলে সুইডেন ব্যবধান কমায়। ব্রাসিল এখনো ৪-২ এ এগিয়ে।

এরপর মনে হয় পেলে জাদু এখনো বাকী ছিলো। খেলার ৯০ মিনিট, শেষ বাঁশি বাজার কিছুক্ষন আগে জাগালোর ল্যাফট উইং থেকে এক অসাধারন ক্রসে পেলের অসাধারন দর্শনীয় প্রায় উড়ে এসে হেডের মাধ্যমে বলকে পাঠিয়ে দেন জালে। ভাভার ৯ আর ৩২ মিনিটে, পেলের ৫৫ মিনিট, জাগালোর ৬৮ এবং পেলের আবার ৯০ মিনিটে ৫-২ গোলের ব্যবধানে ব্রাসিল ম্যাচটি জিতে।

এরপর বাকীগুলা ইতিহাস। পেলের অঝোর ধারায় কান্না, নিলটন সান্তোস, দিদি, ভাভা, জাগালোর উচ্ছ্বাস, খেলা শেষ হওয়ার পরও গারিঞ্চার বলা খেলা কি শেষ? আর ব্রাসিলিয়ানদের সুইডিশ পতাকা নিয়ে রান আপ এবং লেলেনির হাতে সেই অধরা বিশ্বকাপ হাতে উঠার মধ্য দিয়ে শেষ হয় বিশ্বকাপের ৬ষ্ঠ আসর। ব্রাসিল জিতে তাদের প্রথম বিশ্বকাপ। আর সেবারই প্রথম ইউরোপ থেকে কাপ যায় ল্যাটিনে।

নানা ধরনের রেকর্ড হয় এই বিশ্বকাপে। ফন্টেইনের এক বিশ্বকাপে ১৩ গোল। পেলে সর্বকনিষ্ঠ ম্যাচ খেলা আর গোল দেওয়া। গারিঞ্চার বাঁকা পায়ের জাদু ছাড়াও হয়েছিল অনেক উত্তেজনা।

১৯৫০ বিশ্বকাপ নিজেদের মাটিতে ব্রাসিল ফাইনাল হারলে পেলের বাবা কাঁদতে থাকেন। পেলে কাঁদারর কারন জিজ্ঞেস করলে তাঁর বাবা বলেন যে, আমরা বিশ্বকাপ হেরে গেছি। তখন পেলের বয়স ৮ বছর। দুষ্টামীর ছলে হয়তো বলেছিলো বাবা, আমিই তোমাকে বিশ্বকাপ এনে দিবো। তুমি কেঁদো না।

পেলে আসলেই কি সেদিন দুষ্টামীর ছলে বলেছিলো? খেলা দেখে ত মনে হয় নি। হয়তো বা দুষ্টামীর ছলেই বলেছিলো। হতে পারে কো-এন্সিডিয়েন্স..! কিন্তু ব্রাসিল জিতলো তাদের প্রথম বিশ্বকাপ।

১৯৫০ সালেরর মারকানাজোর দুঃখ কিছুটা হয়তো ভুলেছিলো সেলেসাওরা..! সেলেসাওরা বিশ্বকে জানান দিলো আসছি আমরা ফুটবলকে শিল্প দিয়ে শাসন করতে..! হয়েছেও তাই।

পুরো টুর্নামেন্টে ১২৬ টি গোলের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনজন গোল দাতা হলেন ফন্টেইনের ১৩টি গোল, পেলে(ব্রাসিল) & রাহন(জার্মান) এর ৬টি, ভাভা(ব্রাসিল) & ম্যাকপারল্যান্ড(ইংল্যান্ড) ৫টি।

সাম্বা উচ্ছ্বাস চলছিলো। হয়তো সেদিনও পেলের বাবা কেঁদেছিলো, তবে সেটা সুখের কান্না। পেলেও কেঁদেছিলো। কেঁদেছিল গোটা ব্রাজিল আর অগণিত সুন্দর ফুটবল পূজারি।

কিছু কান্না দুঃখের, কিছু সুখের..!

নতুন আর্টিক্যাল পাবলিশড হওয়া মাত্রই পড়তে চান?

আজই সাবস্ক্রিপশন করে নিন